২১ আগস্ট মামলার আলামত পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয় | sampadona bangla news
সোমবার , ১১ ডিসেম্বর ২০১৭

২১ আগস্ট মামলার আলামত পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়

সম্পাদনা অনলাইন : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে সংঘটিত গ্রেনেড হামলা পরবর্তী উদ্ধারকৃত আলামত উদ্দেশ্যেমূলক ও পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সিনিয়র এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আজ মঙ্গলবার ১৬তম দিনের মতো যুক্তিতর্কে এ কথ্য উপস্থাপন করেন।
আজ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী (পিডব্লিও ৬৩) ঘটনাকালীন ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার এস এম মিজানুর রহমান, (পিডব্লিউ-৬৪) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম এমদাদুল হক, (পিডব্লিউ-৬৫) ডিজিএফআই-এর তৎকালীন ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) সাদিক হাসান রুমির দেয়া সাক্ষ্য আজ যুক্তিতর্কে উপস্থাপন করেন।
সাদিক হাসান রুমির দেয়া সাক্ষ্যের আলোকে যুক্তি উপস্থাপন অসমাপ্ত অবস্থায় মামলায় আজকের কার্যক্রম মুলতবি করা হয়।
রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে এ মামলার বিচার চলছে। মামলার কার্যক্রম আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
সাক্ষী এস এম মিজানুর রহমানের জবানবন্দীর আলোকে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্কে উল্লেখ করে যে, ২১ আগস্ট ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এই সাক্ষীকে সমাবেশের ৩ ঘণ্টা আগে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ সাক্ষীকে ২১ আগস্ট ঘটনার সঠিক তদন্তে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিরত থাকতে বলেছেন। ঘটনার পর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধারকৃত আর্জেস গ্রেনেড মামলার আলামত হিসেবে সংরক্ষণ না করে তৎকালীন সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পরস্পর যোগসাজসে তা ধ্বংস করা হয়। যারা এ মামলায় বর্তমানে আসামি রয়েছেন।
যুক্তিতর্কে রাষ্ট্র পক্ষ জানায়, সাক্ষী এস এম মিজানুর রহমানের দেয়া জবানবন্দী অনুযায়ী অপরাধীদের অপরাধ সংঘটন নির্বিঘ্নে করতে পরিকল্পনা অনুযায়ী ভয়াবহ ওই গ্রেনেড হামলা ঘটানো হয়।
Share on FacebookTweet about this on TwitterShare on Google+Email this to someone

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*