মীর কাসেম আলী | sampadona bangla news
মঙ্গলবার , ২১ নভেম্বর ২০১৭

মীর কাসেম আলী

মীর কাসেম জীবনীসম্পাদনা অনলাইন : দৈনিক ইত্তেফাকের ভাষ্যে মীর কাসেম আলী : শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এর ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
প্রথমে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন বিকেলেই মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয় (দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
২০১৩ সালের ১৬ মে মীর কাসেমের বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ আদালতে দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়। ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক কার্যক্রম শেষে  ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আনা ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় দেয়া হয়।
 ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে  আপিল করেন মীর কাসেমের আইনজীবীরা। আপিলে তার খালাসের  পক্ষে ১৮১টি  যুক্তি তুলে ধরা হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি মীর কাসেমের পক্ষে প্রাথমিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন তার আইনজীবীরা।
গত ৯, ১০, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি মীর কাসেমের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ৮ মার্চ মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ ৬ জনকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে মীর কাসেমের ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখে রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
এ মামলার বিচার চলার মধ্যেই ২০১৩ সালের ২৮ এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মীর কাসেম আলী মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ প্রশ্নবিদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি লবিস্ট প্রতিষ্ঠানকে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দিয়েছেন। লবিস্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই চুক্তির কপি এবং টাকা দেওয়ার রসিদ রয়েছে সরকারের কাছে। সেই অভিযোগের অনুকুলে সুপ্রিম কোর্টে এ মামলার আপিল শুনানিতে একটি মেমো দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওয়াশিংটনের ফার্ম ক্যাসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের ওই মেমোতে বলা হয়, তারা ‘পেশাগত সেবার’ জন্য মীর কাসেমের পাঠানো আড়াই কোটি ডলার হাতে পেয়েছেন।
আপিলের রায় পুনর্বিবেচনার শুনানি পেছাতেও বার বার চেষ্টা করতে দেখা যায় আসামিপক্ষকে। যুদ্ধাপরাধের  অন্য মামলার রিভিউয়ে যে সময় লেগেছে, মীর কাসেম আলীর ক্ষেত্রে তার দ্বিগুণ সময় ব্যয় হয়েছে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান।
মীর কাসেমের ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখে ২৪৪ পৃষ্ঠার আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৬ জুন প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। নিয়মানুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে   রিভিউ আবেদন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গত ১৯ জুন ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন দাখিল করেন মীর কাসেম আলী। মোট ৮৬ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে ১৪টি যুক্তি দেখিয়ে ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চাওয়া হয়।
গত ২৮ আগস্ট মীর কাসেমের রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ হয়।  ৩০ আগস্ট সকালে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। রিভিউ খারিজ হওয়ায় মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আইনগত বাধা কেটে যায়। এরপর থাকে শুধু রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ। মীর কাসেম আলী ২ আগস্ট কারা-কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না। প্রাণভিক্ষার বিষয়টি ফয়সালা হয়ে গেলে ফাঁসি কার্য্করের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সে মোতাবেক মীর কাসেমের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের শেষ সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া হয়। অবশেষে সরকারের নির্বাহী আদেশে ৩ আগস্ট রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর করার মধ্য দিয়ে দায়মুক্তির পথে আরো একধাপ এগুলো বাংলাদেশ।
সংগ্রামের ভাষ্যে মীর কাসেম আলী : একজন সফল উদ্যোক্তা, সমাজসেবক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মীর কাসেম আলী। সৃজনশীল উদ্যমী মানুষের প্রতিচ্ছবি মীর কাসেম আলী। নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া। সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ছড়িয়েছেন আলোর দ্যুতি। পাশে দাঁড়িয়েছেন অসহায়, দরিদ্র মানুষের । কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন হাজার হাজার বেকার মানুষের। তিনি আজ নেই। কিন্তু রয়েছে তার বিপুল কর্ম, তার গড়া প্রতিষ্ঠান। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য সেবা দিয়ে যাবে বহুকাল ধরে।
ব্যক্তি পরিচয়: মীর কাসেম আলী ১৯৫২ সালের ৩১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার সূতালরী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা মীর তৈয়ব আলী সড়ক জনপথ বিভাগের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা ছিলেন। তার চাচা মীর মোশাররফ হোসেন সূতালরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। মাতা মৃত রাবেয়া আখতার (ডলি বেগম)। নানা আবদুল হামিদ ভূইয়া ও দাদা মীর রহমত আলী। মীর তৈয়ব আলীর ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে। মীর কাসেম আলীর ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে। তিনি ১৯৭৯ সালে খোন্দকার আয়েশা খাতুনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
শিক্ষা জীবন: পিতার চাকরির সুবাধে বিভিন্ন জেলায় থাকতে হয়েছে মীর কাসেম আলীকে। প্রাথমিক স্তরে পড়াশুনা করেছেন বরিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর ফরিদপুর জেলা হাইস্কুল। ১৯৬৭ সালে এসএসসি পাস করেছেন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে। তিনি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৫তম স্থান অধিকার করেন। ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম এ ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনীতি: মীর কাসেম আলীর রাজনীতি ছিল সমাজসেবা। গরীব-দুখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে গ্রাম, চরাঞ্চল ও পাহাড়ি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তিনি সারা দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন। পিছিয়ে পড়া চর ও পাহাড়ের জনগোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন। গড়েছেন মেডিকেল কলেজ, নার্সিং ট্রেনিং স্কুল ও কলেজ।
১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের যাত্রা শুরু হয়। মীর কাসেম আলী শিবিরের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি।
১৯৭৯ সালে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। তিনি কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য। এ ছাড়াও তিনি ঢাকা মহানগরীর নায়েবে আমীরের দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবন : ১৯৭৮ সালে আর্ন্তজাতিক সংস্থা রাবিতা আলম আল ইসলামীর কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে তিনি কর্ম জীবন শুরু করেন। একে একে গড়ে তুলেন শিল্প প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া। তিনি দেশের বিত্তবান সমাজসেবী ও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমাজসেবী বিত্তবান মুসলিম ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিকালস প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া তিনি দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান, ইবনে সিনা ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য ছিলেন। এক কথায় বলা যায় একজন সফল শিল্প উদ্যোক্তা মীর কাসেম আলী স্বাস্থ্য সেবায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিকল্পনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা, সাহিত্য সেবা- প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, মিডিয়া, প্রিন্টিং এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন ও পরিচালনায় অসামান্য ভূমিকা রেখে গেছেন। তার গড়া প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক: মীর কাসেম আলী জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে বিভিন্ন সময় আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সিনিয়র পলিসি এনালিস্টদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য মার্কিন কংগ্রেস ও সিনেটের সদস্যদের সাথে বৈঠক করেছেন। এনডিআই, আইআরআইসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য থিংকট্যাংকের কর্তা ব্যক্তিদের সাথেও সাক্ষাৎ হয়েছে মীর কাসেম আলীর। তিনি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অনেকবার যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ সফর করেছেন।
বিদেশ সফর: মীর কাসেম আলী যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সোমালিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লেবানন, কেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালী, জার্মান, সুইডেন, নেদারল্যান্ড প্রভৃতি দেশে সফর করেন।
ভাষা: মাতৃভাষা ছাড়াও তিনি ইংরেজি, হিন্দী, উর্দু এবং আরবী ভাষা জানতেন।
 গ্রেফতার : ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতার পরওয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই দিনই তাকে গ্রেফতার করে আইন-শৃংখলা বাহিনী বিকাল সোয়া চারটায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করে।
হয়রানি: ২০১০ সালের ২৫ মার্চ মীর কাসেম আলী সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান তার ব্যবসায়িক কাজে। তখন গণমাধ্যমে প্রচার হয় তিনি আর ফিরবেন না। কিন্তু মে মাসেই তিনি দেশে ফিরে আসেন। ২০১০ সালের ৩০ মার্চ মীর কাসেম আলী ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক একাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করে রাখা হয়। তিনি গ্রেফতারের পর একাধিকবার তার বাসায় তল্লাশি চালায় পুলিশ।
মীর কাসেম আলীর দ্বিতীয় ছেলে ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম। গত ৯ আগস্ট দিবাগত রাত ১১টায় রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস এর বাসা হতে সাদা পোশাক পরিহিত আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত তার কোন খবর জানে না তার পরিবারের সদস্যরা। আইন-শৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও তাকে আটকের খবর অস্বীকার করা হচ্ছে।
ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) হাইকোর্টের একজন নিয়মিত প্র্যাকটিশনার। তিনি লিংকস ইন থেকে ২০০৭ সালে ব্যারিস্টার সনদ অর্জন করেছেন। এর আগে তিনি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে ২০০৫ সালে এলএলবি (অনার্স) পাস করেন। পড়াশুনা শেষে দেশে ফিরে ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) একজন এডভোকেট হিসেবে ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর সনদপ্রাপ্ত হন। ২০১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ইংল্যান্ড বারেরও একজন সদস্য।
Share on FacebookTweet about this on TwitterShare on Google+Email this to someone

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*