ব্যাপক ক্ষতির মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ব্যবসায়ীরা | sampadona bangla news
শুক্রবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ব্যাপক ক্ষতির মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ব্যবসায়ীরা

সম্পাদনা অনলাইন : রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের সাথে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মে করেন বাগান মালিক ও চাষিরা। অন্যদিকে জেলার ম্যাংগো ফাউন্ডেশনে নেতা আম রপ্তানি না হওয়ার পেছনে কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের উপ-পরিচালককেই দায়ী করেন।

রপ্তানি যোগ্য আম উৎপাদনে সফল হওয়ায় ২০১৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু হয় আম রফতানি। সেবার মাত্র সাড়ে ৩ মেট্রিক টন আম দিয়ে রফতানি শুরু হলেও পরের বছর ১৫০টন আম রফতানি হয় জেলা থেকে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর রফতানিকারকদের সাথে চুক্তি সাপেক্ষে উন্নত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৪ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি রফতানি যোগ্য আম উৎপাদন করে বাগান মালিকরা। কিন্তু এবছর নতুন করে কৃষি অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের হস্তক্ষেপের কারণে আম রফতানি করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এজন্য স্থানীয় কৃষি বিভাগের সমন্বয়হীনতারকেই দায়ী করছেন তারা।

বাগান মালিকেরা জানায়, ‘এক্সপোর্টটার ও বায়ারদের কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু দুই একজনের কারণে এবার আম রফতানি হয়নি। বায়ারদের সাথে যোগাযোগ করার পরও কি কারণে বিদেশে রফতানি করতে পারলাম না সেটি আমরা বুঝতে পারছি না।’

রফতানি করতে না পেরে এসব আম বাজারে বিক্রি করে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, বছরের শুরুতে সাতক্ষীরা থেকে রপ্তানি হওয়া কিছু আম নিয়ে ইউরোপের বাজারে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষ বাছাই প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আরোপ করে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল হুদা বলেন, ‘এ আম যদি আমরা রফতানি করতাম তাহলে দেখা যেত ৫/৬ বছরের জন্য একটা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তাম। আর সেই কারণে কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষ ৭০ ভাগ আম রফতানির অযোগ্য বলে ঘোষণা করেছে।’

এদিকে আম রপ্তানি না হওয়ার পেছনে কোয়ারেন্টাইন উইংয়ের উপ-পরিচালককেই দায়ী করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ম্যাংগো ফাউন্ডেশন সদস্য সচিব মোঃ আহসান হাবিব।

তিনি বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এই বছরে আমের মান অনেক ভাল ছিল। তবে এটি আগামীতে আম রফতানির ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করবে। সেই চাষিরা উৎসাহ হারাবে।’

জুনের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি ও আশ্বিনা আম পাড়া শুরু হলেও ৩০ জুন পর্যন্ত রপ্তানির শেষ সময় নির্ধারণ জেলার আমকে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন আম সংশ্লিষ্টরা।-সময় টিভি

Share on FacebookTweet about this on TwitterShare on Google+Email this to someone

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*