খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি ইস্যু বানাতে চাইছে | sampadona bangla news
মঙ্গলবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি ইস্যু বানাতে চাইছে

সম্পাদনা অনলাইন : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে দলের নেতারা রাজনৈতিক ইস্যু বানাতে চাইছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘আমার তো মনে হয়, তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নয়, রাজনীতি করার ইস্যু খুঁজছেন। তাদের কাছে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নয়, ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের পরে বিএনপি আন্দোলনের অজুহাত হিসেবে এটিকে কাজে লাগাতে চায়।’
সোমবার সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা কি প্রতিদিন জেলখানায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যাবেন? তার আত্মীয়রা জেলখানায় দেখা করতে যাবেন। তারা গেছেন এবং ঠিকই দেখা করতে পেরেছেন।
তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে এটা জেলখানা, কারও বাসাবাড়ি না। জেলখানায় প্রতিদিন নেতারা দেখা করতে যাবেন এ সুযোগ জেল কোডে নাই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, জেলখানায় আত্মীয়-স্বজনরাই মূল। আমি যখন জেলে ছিলাম, আমারও আত্মীয়-স্বজনরা দেখা করতে এসেছেন। জেলখানায় দলীয়দের দেখা করার সুযোগ নেই। তারপরও তিনি একটি দলের প্রধান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সেই জন্য তাকে দলের লোকজন এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে হয়। সেখানে কোনো প্রকার বাধা ছিল না।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সেবা নিয়ে কাদের বলেন, সিএমএইচ হলো সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতাল। কেন যে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিতে চান না তা আমাদের জানা নেই। আমার এখন সন্দেহ হয় বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত কিনা।
‘খালেদা জিয়া কেন ইউনাইটেডে চিকিৎসা নিতে পারবেন না’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তখন আমাদের নেত্রীকে সিএমএইচে চিকিৎসা করানোর সুযোগ পেলে স্কয়ারে নিয়ে যেতাম না।
বিএনপি নেতাদের বিদেশ সফর সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তাই তারা এখন বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন। কখনো ব্যাংকক, কখনো দুবাই, কখনো লন্ডন। কোথায় কে কী করছেন সরকারের কাছে সব খবর আছে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন নির্বাচনী আমেজে আছে, মুডে আছে। ২৬ জুন গাজীপুরে নির্বাচন। ৩০ জুলাই অন্য তিনটি সিটিতে নির্বাচন। এরপরেই জাতীয় নির্বাচন। এগুলো হলো সেমিফাইনাল। বছর শেষে হবে ফাইনাল।বাসস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*