কাঁদালেন ফেরদৌস, চমকে দেন শাকিব | sampadona bangla news
সোমবার , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কাঁদালেন ফেরদৌস, চমকে দেন শাকিব

সম্পাদনা অনলাইন : মধ্যরাত থেকেই ভক্ত আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে পাওয়া জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। জন্মদিনে দুপুরে এসে আবেগপ্রবণ হন, তাঁর চোখের পানিও ঝরেছে। তাঁকে কাঁদিয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। আর একই সময় আবার চমকে যান তিনি। পূর্ণিমাকে চমকে দেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। চ্যানেল আইয়ের ‘তারকাকথন’ অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে।

আজ পূর্ণিমার জন্মদিন। এ উপলক্ষে আজ বুধবার দুপুরে চ্যানেল আইয়ের ‘তারকাকথন’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে আসেন পূর্ণিমা। অনুষ্ঠানে ফোনে যুক্ত হন ফেরদৌস। তিনি পূর্ণিমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। পূর্ণিমাকে বলেন, ‘হ্যাপি বার্থডে, হ্যাপি বার্থডে। আমি কিছু সুন্দর কথা লিখে রেখেছি। মধুপূর্ণিমার রাতে যেমন সবকিছু ভালো লাগে, তেমনি পূর্ণিমার সবকিছুই আমাদের সবার ভালো লাগে।’

ফেরদৌস আর পূর্ণিমার মধ্যে যে দারুণ বন্ধুত্ব, তা জানেন তাঁদের ভক্তরা। দুজন একসঙ্গে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন, একসঙ্গে নাচ করছেন। ভক্তরাও এই জুটিকে দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন। ফেরদৌস আর পূর্ণিমার মধ্যে অনেক বিষয়ে আলোচনাও হয়।

শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেরদৌস আরও বলেন, ‘অনেক কথা হলেও এখন পর্যন্ত সামনাসামনি পূর্ণিমাকে একটা কথা বলা হয়নি। আমরা যে নারীশক্তির কথা বলি, পূর্ণিমা তার উদাহরণ। অনেক দিন ধরে সে নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করে আজকের জায়গা অটুট রেখেছে। আমাদের সবার পূর্ণিমার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। অনেক অনেক ভালো থেকো। তোমার শক্তি যেন থাকে কাজের ক্ষেত্রে, পরিবারের ক্ষেত্রে। এই প্রত্যাশা ও দোয়া। অনেক অনেক ভালোবাসা।’

বন্ধু ফেরদৌসের কাছ থেকে এমন শুভেচ্ছা পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে যান পূর্ণিমা। তাঁর চোখ ভিজে যায়। পূর্ণিমা বলেন, ‘আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে গেছি। সে আমার এত ভালো একজন বন্ধু, সুখে-দুঃখে সব সময় তাকে পাশে পাই। নানাভাবে আমাকে সহযোগিতা করছে।’

ফেরদৌসের পর ফোনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাকিব খান। ‘হ্যাপি বার্থডে পূর্ণিমা’ বলতেই কণ্ঠটা চিনতে পারেন পূর্ণিমা। জন্মদিনের আয়োজনে অবাক হন শাকিবের ফোন পেয়ে। চলচ্চিত্রপাড়ায় একটা গুঞ্জন শোনা যায়, শাকিব খান আর পূর্ণিমার মাঝে নাকি কিছুটা দূরত্ব আছে! আজ তা ভুল প্রমাণ করেন তাঁরা দুজন। পর্দার বাইরেও যে শাকিব-পূর্ণিমার মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব, তা দুজনের কথায় স্পষ্ট হয়।

শাকিব খানের ফোনকলের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পূর্ণিমা বলেন, ‘এটা আসলেই অন্য ধরনের সারপ্রাইজ হয়ে গেল।’ পূর্ণিমা শাকিবের কাছে জানতে চান, ‘শাকিব, কোথায় তুমি? ঢাকায়, নাকি কলকাতায়?’ শাকিবের উত্তর, ‘আমি ঢাকাতেই আছি। তোমার বার্থডের জন্যই এসেছি।’

এরপর মজা করে পূর্ণিমা বলেন, ‘এবার আমার জন্মদিনের পার্টিটা তুমি (শাকিব) দাও।’ স্বভাবসুলভ হাসি দিয়ে শাকিবও বলেন, ‘তুমি চাইলে অবশ্যই দেব।’ শাকিব আরও বলেন, ‘তোমার জীবন পূর্ণিমার আলোর মতোই আলোকিত হোক। অনেক ভালোবাসা। অনেক দোয়া।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*